
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার ৪ নম্বর বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের পলাশবাড়ী গ্রামে বাড়ির পশ্চিম পাশে একটি পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত কাসমিরা ওই এলাকার মো. এন্তাজুল ও মোছা. আলেফা দম্পতির মেয়ে। তাঁর স্বামী আবু হাসান মুন্না (২২)। তিনি বড় পলাশবাড়ী এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় কৃষক।
স্থানীয়রা জানান, কিছুদিন ধরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে কাসমিরার কথা-কাটাকাটি চলছিল। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে মরদেহটি পুকুরের পাশে পাওয়া গেলেও পুকুরের পানি ঘোলাটে বা নড়াচড়ার কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি বলে দাবি করছেন স্থানীয়দের অনেকে। এ কারণে তাঁদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করছেন, কাসমিরাকে হত্যা করে রাতে মরদেহটি পুকুরপাড়ে ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি বুলবুল ইসলাম জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সঠিক তদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।