1. admin@dailyuttarerchitro.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. খলিলুর রহমান, সদস্যসচিব মো. বদিউজ্জামান বাঘু ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন ১১ দলের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করুন -মাও: আব্দুল হালিম হরিপুরে ‎অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে ২৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ রাণীশংকৈলে ডিবির অভিযানে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলেই নগদ টাকা, পরিবেশ রক্ষায় ইন্ডোফিলের অভিনব উদ্যোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ১০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার নাগরভিটা সীমান্তে ২৭১ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি আটক ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ফেন্সিডিল-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ১

এতিমখানার শিশুর মায়ের কাছে চিঠি ভাইরাল, পড়লে চোখে জল আসবে

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৬০ বার পঠিত

মোঃ আবু সুফিয়ান বাবু ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছোট্ট শিশুর মায়ের কাছে লেখা আবেগঘন চিঠি ভাইরাল হয়েছে। চিঠিটি পড়লে যে কারও মন ভারী হয়ে উঠছে। এতিমখানায় থাকা শিশুটির সরল ভাষায় লেখা এই চিঠি অনেক মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে।

 

জানা যায়, শিশুটির নাম তাহাসিন আব্দুল্লাহ। ছোট্ট বয়সেই তাকে মায়ের কাছ থেকে দূরে থেকে এতিমখানায় থাকতে হচ্ছে। সম্প্রতি তার মা তাকে দেখতে গেলে সে মায়ের হাতে একটি ছোট চিরকুট তুলে দেয়। সেই চিরকুটেই ছিল তার মায়ের কাছে লেখা আবেগময় চিঠি।

 

চিঠিতে তাহাসিন লিখেছে—

“আম্মা, আমারে সাবান দিও। তিন দিন আগে সাবান শেষ। একটা সাদা পাঞ্জাবি দিও, আগেরটা ছিঁড়া গেছে। ইফতারে বুট-মুড়ি দেয়, রাতে ভাত দেয় না। আমার জন্য কিছু ভালো খাবার আইনো। একটা মশারি দিও আর চাদর দিও, মশা কামড়ায়।”

 

শিশুটির এই ছোট ছোট আবদারই মানুষের মন ছুঁয়ে গেছে। তার চাহিদা খুব বেশি নয়—একটি সাবান, একটি সাদা পাঞ্জাবি, কিছু ভালো খাবার, আর মশা থেকে বাঁচার জন্য একটি মশারি ও একটি চাদর।

 

শিশুটির মা নাসরিন আক্তার জানান, ২০১৮ সালে তাহাসিনের বাবা মারা যান। এরপর থেকে তিনি একাই সন্তানদের নিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তার একটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে এবং অন্য কিডনিটিও গুরুতর অসুস্থ। নিজের শারীরিক অবস্থার কারণে সন্তানকে ঠিকমতো দেখাশোনা করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না।

 

তিনি বলেন, “আমি কখন মারা যাই সেই ভয় থেকেই ছেলেটাকে এতিমখানায় দিয়ে দিয়েছি, যাতে অন্তত ও খেয়ে-পড়ে থাকতে পারে।”

 

চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়েছেন। অনেকেই বলছেন, ছোট্ট তাহাসিনের সরল এই চাওয়া-পাওয়া সমাজের মানুষকে নাড়া দিয়েছে।

 

অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষরা এমন অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়াবেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক উত্তরের চিত্র
Theme Customized By Shakil IT Park