1. admin@dailyuttarerchitro.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. খলিলুর রহমান, সদস্যসচিব মো. বদিউজ্জামান বাঘু ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন ১১ দলের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করুন -মাও: আব্দুল হালিম হরিপুরে ‎অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে ২৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ রাণীশংকৈলে ডিবির অভিযানে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলেই নগদ টাকা, পরিবেশ রক্ষায় ইন্ডোফিলের অভিনব উদ্যোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ১০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার নাগরভিটা সীমান্তে ২৭১ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি আটক ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ফেন্সিডিল-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ১

হবিগঞ্জে রাতের আঁধারে মাটি কাটার মহোৎসব: নিশ্চুপ প্রশাসন

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৪১ বার পঠিত

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদার বাজার ও সুঘর (রাফিয়াবাদ মৌজা) এলাকায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলছে অবৈধভাবে মাটি কাটার রমরমা ব্যবসা। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ফসলি জমি ও ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকার মাটি রাতের আঁধারে ভেকু মেশিন দিয়ে লুটে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে একদিকে যেমন আবাদি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট। সিন্ডিকেটের কবজায় আবাদি জমি

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অবৈধ মাটি কাটার নেপথ্যে রয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আতর আলী হাজী, রজব আলী এবং কালাম। তাদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘ দিন ধরে সুঘর এলাকার নিচু জমিগুলো থেকে মাটি উত্তোলন করছে। সরেজমিনে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় ভেকু মেশিনের গর্জন, যা চলে ভোররাত পর্যন্ত। প্রতিদিন শত শত ড্রাম ট্রাকে করে এই মাটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন স্থানে।

আতঙ্কে মুখ খুলছেন না এলাকাবাসী অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের ভয়ে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুঘর এলাকার এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মিরপুর-হবিগঞ্জ মেইন রোডের পাশেই এই ধ্বংসযজ্ঞ চলছে। বড় বড় ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তাঘাট ভেঙে কাদা হয়ে যাচ্ছে। অথচ তাদের দাপটে কেউ মুখ খুলতে পারে না। আইনের তোয়াক্কা নেই, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী, ফসলি জমি বা জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাটি কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। অথচ মেইন রোডের পাশে এত বড় কর্মযজ্ঞ চললেও প্রশাসনের কোনো নজরদারি বা অভিযান না থাকায় জনমনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবেশবিদ সাইফুল ইসলাম বলছেন, এভাবে মাটি কাটার ফলে কেবল পরিবেশের ভারসাম্যই নষ্ট হচ্ছে না, সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। অবিলম্বে এই অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি সহ এলাকাবাসী।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক উত্তরের চিত্র
Theme Customized By Shakil IT Park