1. admin@dailyuttarerchitro.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. খলিলুর রহমান, সদস্যসচিব মো. বদিউজ্জামান বাঘু ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন ১১ দলের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করুন -মাও: আব্দুল হালিম হরিপুরে ‎অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে ২৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ রাণীশংকৈলে ডিবির অভিযানে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলেই নগদ টাকা, পরিবেশ রক্ষায় ইন্ডোফিলের অভিনব উদ্যোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ১০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার নাগরভিটা সীমান্তে ২৭১ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি আটক ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ফেন্সিডিল-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ১

রাজশাহী শহরের সমস্ত বর্জ্য যায় পদ্মা নদীতে 

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৩ বার পঠিত

 

মো: গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

 

 

পদ্মায় একসময় ছিল স্বচ্ছ পানির ধারা। এখন পানি আলকাতরার মতো কালো। রাজশাহী নগরীর বর্জ্য যাচ্ছে নদীতে। এটি ছাড়াও স্বরমঙ্গলা, বারাহী, নবগঙ্গা, বারনই ও হোজা নদী এবং এগুলোর সংলগ্ন অন্তত ছয়টি বিল দূষিত হচ্ছে নগরীর অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে।

 

 

হাসপাতাল এবং কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যও যাচ্ছে নদীতে। এই পানি ব্যবহার করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের শরীরে দেখা দিচ্ছে চর্মরোগ। দূষিত পানি কৃষি জমিতে ছড়িয়ে পড়ায় খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে।

 

 

পদ্মা ছাড়া অন্য পাঁচটি নদী ধীরে ধীরে বর্জ্যবাহী নালায় পরিণত হয়েছে। রাজশাহী নগরী ও আশপাশ দিয়ে বয়ে গেছে এগুলো। বারাহী নদী পদ্মা থেকে উৎপন্ন হয়ে শহরের ভেতর দিয়ে বায়া বাজার হয়ে বারনই নদীতে মিশেছে। একইভাবে স্বরমঙ্গলা ও নবগঙ্গা নদীর সব বিষাক্ত বর্জ্য শেষ পর্যন্ত পবা উপজেলার বায়া এলাকায় বারনই নদীতে গিয়ে পড়ছে। নদীর মোহনায় গিয়ে দেখা যায়, কুচকুচে কালো পানির ওপর ভাসছে প্লাস্টিক, পলিথিন আর কেমিক্যাল মিশ্রিত ফেনা। স্থানীয়দের দাবি, এই দূষণ নাটোরের চলনবিল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে।

 

পদ্মা থেকে নিউমার্কেটের কাছ দিয়ে বারাহী নদী বয়ে গেছে। নদীটি নগরীর মুন্নুজান স্কুলের পাশ দিয়ে পদ্মা থেকে উৎপন্ন হয়ে সিটি ভবনের পশ্চিম পাশ দিয়ে রেলভবন, পলিটেকনিক, বিজিবি ক্যাম্প হয়ে বায়াবাজার দিয়ে বারনই নদীর সঙ্গে মিলেছে। বারাহী নদীতে এক সময় পালতোলা নৌকা চলত। জেলেরা মাঝ ধরত। নদীটি এখন মৃত। সিটি করপোরেশনের সব বর্জ্য পানি ও মেডিকেল বর্জ্য এই মৃত নদীতে সরু খালের মতো প্রবাহিত হয়ে যাচ্ছে বারনই নদীতে। এলজিইডি ২০২৩ সালে নদীটির নাম পাকুরিয়া খাল হিসেবে উল্লেখ করে বায়া আফি নেপালপাড়ায় ২৪ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু করেছে। এই সেতুর নিচে মঙ্গলবার গিয়ে দেখা যায় শহরের কালো বর্জ্য পানি প্রবাহিত হয়ে মিশে যাচ্ছে বারনই নদীতে। বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশ্রিত পানিতে সাদা ফেনা বয়ে যাচ্ছে। পানি থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। এই নদী প্রসঙ্গে গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী বলেন, ‘এক পয়সা দিয়ে বারাহী নদী পার হয়ে স্কুলে যেতাম। নদীটি এখন শহরের বর্জ্য বয়ে যাওয়ার ড্রেন।’

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক উত্তরের চিত্র
Theme Customized By Shakil IT Park