1. admin@dailyuttarerchitro.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. খলিলুর রহমান, সদস্যসচিব মো. বদিউজ্জামান বাঘু ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন ১১ দলের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করুন -মাও: আব্দুল হালিম হরিপুরে ‎অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে ২৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ রাণীশংকৈলে ডিবির অভিযানে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলেই নগদ টাকা, পরিবেশ রক্ষায় ইন্ডোফিলের অভিনব উদ্যোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ১০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার নাগরভিটা সীমান্তে ২৭১ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি আটক ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ফেন্সিডিল-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ১

যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশি সহায়তা ছাড়ায় অবশেষ উদ্ধার হল সেই মিনহাজ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৩৪ বার পঠিত

মোঃ জুম্মান হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: যশোরে আলোচিত অপহরণ ঘটনার চার দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে উদ্ধার হয়েছে অপহৃত সেই তরুণ মিনহাজ। চারদিন আটকে রেখে একের পর এক নির্যাতনের পর সজিব সিন্ডিকেটের ডেরা থেকে তিনি মুক্তি পেয়েছেন। অসুস্থ্য ও বিধস্ত অবস্থায় তাকে গ্রামেরবাড়ি খুলনার তেরখাদায় নেয়া হয়েছে। পরিবারের দাবি অপহরণের মুল হোতাই ছিলেন সেই বাস চালক সজিব। যাকে তারা প্রথমেই ধরে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে গিয়েছিলেন। এমনকি তার কাছথেকেই উদ্ধার করা হয়েছিলো তানজিনের মোবাইল ফোনের সিম। কিন্তু কোতোয়ালি থানার ওসি ছেড়ে দিয়েছিলেন সজিবকে। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

অপহৃত তরুণের বাবা খুলনার তেরখাদা গ্রামের জিয়া মোল্লা জানান, বাসচালক সজিব মোল্লাই অপহরণের মূল পরিকল্পনাকারী। সজিব বাসের ড্রাইভার ও সুপারভাইজারসহ আরও কয়েকজনের সহযোগিতায় প্রথমে মিনহাজকে নড়াইল থেকে বাসে তোলে। এরপর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাকে একাধিকবার যশোর–মনিহার রুটে যাত্রীবাহী বাসে ঘোরানো হয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে মনিহার এলাকা থেকে বসুন্দিয়া এলাকায় নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয় এবং মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরদিন সকালে বিকাশের মাধ্যমে টাকা নিতে গেলে সজিব ধরা পড়ে। তখন তার কাছ থেকেই উদ্ধার হয় অপহৃত শিশুর মোবাইলের সিমকার্ড। কিন্তু বিস্ময়করভাবে, থানায় নেওয়ার পরও পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে অন্য একটি নম্বর থেকে আবারও মুক্তিপণ দাবি করা হয়। একপর্যায়ে মারধর ও চেতনানাশক খাইয়ে শিশুটিকে খুলনাগামী একটি বাসে তুলে দেওয়া হয়। শুক্রবার বিকেলে খুলনা পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে মিনহাজকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে শিশুটিকে গ্রামের বাড়ি খুলনার তেরখাদায় নেওয়া হয়েছে।

পরিবার জানায়, মিনহাজকে বাড়ি থেকে হাঁস বিক্রির ২২ হাজার টাকা নিয়ে শহরের জেলরোডে নানাবাড়ি যাচ্ছিল। সেই টাকার লোভেই তাকে অপহরণ করা হয়। অপহরণকারীরা তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়।

বাবা জিয়া মোল্লা জানিয়েছেন, তিনি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক উত্তরের চিত্র
Theme Customized By Shakil IT Park