
মোঃ আবু সুফিয়ান বাবু, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: দেশের অন্যতম বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে শিক্ষকতা, পৌর নেতৃত্ব থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ের মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন।
–শিক্ষকতা ও বিসিএস জীবন–
১৯৭২ সালে বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। একই বছরে তিনি ঢাকা কলেজ-এ অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। পরে ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে পূর্ণকালীন রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।
–পৌর নেতৃত্বে সূচনা–
১৯৮৮ সালে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। স্থানীয় সরকার পর্যায়ে এ দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক নেতৃত্ব আরও সুসংহত হয়।
–জাতীয় রাজনীতিতে উত্থান–
২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করলে তিনি প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
–বর্তমান দায়িত্ব–
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
–শিক্ষা ও পারিবারিক পটভূমি–
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়-এ পড়াশোনা করেছেন।
দুই মেয়ে—মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ—উভয়ই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন।
–পারিবারিক ঐতিহ্য–
তার বাবা মির্জা রুহুল আমিন একজন সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ছিলেন।
চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ ছিলেন সাবেক স্পিকার ও ভূমি এবং আইন মন্ত্রী।
দুলাভাই মাহবুবুর রহমান ছিলেন সাবেক সেনাপ্রধান।
দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন প্রভাবশালী ও আলোচিত নেতা হিসেবে বিবেচিত।