
মোঃ জুম্মান হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: মহান আল্লাহ পাক এই মহাবিশ্বকে অসংখ্য রহস্য ও নিদর্শনে পরিপূর্ণ করে সৃষ্টি করেছেন। মানুষ যতই চিন্তা ও গবেষণা করে, ততই আল্লাহর সৃষ্টির গভীরতা ও মহিমা উপলব্ধি করতে পারে।
ওয়া আনযালনাল হাদীদা ফীহি বা’সুন শাদীদুন ওয়া মানাফি’উ লিন্নাস।
“আমি লোহা নাযিল করেছি, এতে রয়েছে প্রবল শক্তি এবং মানুষের জন্য বহু উপকার।”
— আল-কোরআন, সূরা ৫৭ (হাদীদ), আয়াত ২৫।
পৃথিবীর অভ্যন্তরে রয়েছে বিশাল শক্তির আধার। পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ লোহা, যা এই গ্রহকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি মহান আল্লাহর সৃষ্টির এক বিস্ময়কর নিদর্শন।
অন্যদিকে, পবিত্র কোরআন-এ লোহার বিশেষ গুরুত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কোরআনের ৫৭তম সূরা হলো সূরা আল হাদীদ। “হাদীদ” শব্দের অর্থ লোহা। সূরা হাদীদের আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, তিনি লোহা নাযিল করেছেন—যার মধ্যে রয়েছে প্রবল শক্তি এবং মানুষের জন্য বহু উপকার।
পৃথিবীর কেন্দ্রে লোহা থাকা এবং কোরআনের মাঝামাঝি সূরার নাম “হাদীদ”—এই বিষয়টি অনেকের কাছে মহান আল্লাহর সৃষ্টির গভীর রহস্য ও নিদর্শনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
উল্লেখ্য, আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বহুবার মানুষকে আকাশ-পৃথিবীর সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে বলেছেন, যাতে মানুষ তাঁর মহিমা ও ক্ষমতা উপলব্ধি করতে পারে।