1. admin@dailyuttarerchitro.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. খলিলুর রহমান, সদস্যসচিব মো. বদিউজ্জামান বাঘু ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন ১১ দলের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করুন -মাও: আব্দুল হালিম হরিপুরে ‎অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে ২৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ রাণীশংকৈলে ডিবির অভিযানে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলেই নগদ টাকা, পরিবেশ রক্ষায় ইন্ডোফিলের অভিনব উদ্যোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ১০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার নাগরভিটা সীমান্তে ২৭১ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি আটক ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ফেন্সিডিল-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ১

ফুটানি বাজারে ইফতারের পর “জংলি ওষুধ” বিক্রি, স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৭ বার পঠিত

মোঃ আবু সুফিয়ান বাবু, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের ফুটানি বাজারে ইফতারের পর হকাররা অনুমোদনহীন “জংলি ওষুধ” ও কবিরাজি তেল বিক্রি করছেন। স্থানীয়রা দাবি করছেন, এসব তেল ব্যবহার করলে বাত, কোমর ও হাঁটুর ব্যথা দ্রুত সেরে যায়। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, অজানা উপাদানের এসব ওষুধ লিভার, কিডনি ও শরীরের অন্যান্য অঙ্গে ক্ষতি করতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারে বসা হকাররা মাইকিং ও প্রচারণার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভেষজ ওষুধ বিক্রি করছেন। তারা দাবি করছেন, নিয়ম করে ব্যবহার করলে পুরনো ব্যথাও কমে যায়। তবে অনেক ক্রেতা কার্যকারিতা নিয়ে সন্দিহান। এক স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, “কিনে নিলাম, দেখি কী হয়। কাজ করলে ভালো, না হলে আর নেব না।”

হকারদের প্রচারিত একটি লিফলেটে বলা হয়েছে, ‘গাছ-গাছড়ার ভাজা তেল (বাত রাক্ষসী)’ ব্যবহার করলে বাত, কোমর ও হাঁটুর ব্যথা, প্যারালাইসিসের ব্যথা, ঘা-পাঁজরা, চুলকানি ও অ্যালার্জি ভালো হয়। এছাড়া পুরুষ শক্তি বৃদ্ধি ও হাঁপানির সমস্যাতেও এটি কার্যকর বলে দাবি করা হয়েছে। লিফলেটে তেলটি তৈরির উৎস হিসেবে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার “লতা পাতা কবিরাজ ঘর” নামের প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অনুমোদনহীন ওষুধ জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এসব ওষুধে ভেজাল বা ক্ষতিকর উপাদান থাকলে লিভার, কিডনি ও শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের আইন অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া ওষুধ তৈরি বা বিক্রি করা অবৈধ।

সচেতন মহল জানিয়েছেন, এ ধরনের প্রতারণামূলক ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা বন্ধে প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সচেতন হয়ে অনুমোদিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং নিবন্ধিত ফার্মেসি থেকে ওষুধ কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক উত্তরের চিত্র
Theme Customized By Shakil IT Park