
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: যেকোনো সৃজনশীল ও উন্নয়নমূলক কাজের ডকুমেন্টেশনের জন্য প্রকাশনার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টায় খাগড়াছড়ি সদরের মিলনপুরস্থ হিলটপ গেস্ট হাউসে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ভিসিএফ নেটওয়ার্ক সদস্য, নারী হেডম্যান ও কার্বারি নেটওয়ার্কের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শেফালিকা ত্রিপুরা বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছি, কিন্তু যথাযথ ডকুমেন্টেশনের অভাবে সেই সাফল্যগুলো সামনে তুলে ধরা সম্ভব হচ্ছে না। পার্বত্য অঞ্চলে বিভিন্ন এনজিও সংস্থা ব্যাপক কাজ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে, কিন্তু সেই কার্যক্রমের সুষ্ঠু ডকুমেন্টেশন না থাকায় তা বৃহত্তর পরিসরে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না। তাই প্রতিটি উদ্যোগ ও অর্জনকে সুশৃঙ্খলভাবে নথিভুক্ত করা এবং প্রকাশনার মাধ্যমে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।
‘বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচার আইনগত দণ্ডনীয় অপরাধ — বন বাঁচলে জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ হবে’ এই প্রতিপাদ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও স্থিতিস্থাপক উন্নয়ন (ইআরআরডি-পিসিটি) শীর্ষক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন মৌজার নারী হেডম্যান ও কার্বারিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা (জিএসি)-র অর্থায়নে ইউএনডিপি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এ কর্মশালায় ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা।
ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফিসার জ্ঞানদর্শী চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউএনডিপি’র জেলা ব্যবস্থাপক প্রিয়তর চাকমা। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য জয়া ত্রিপুরা এবং নারী হেডম্যান ও কার্বারি নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক ইখিন চৌধুরী।
উল্লেখ্য, কর্মশালাটি আয়োজন করে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের বাস্তবায়নাধীন বিইআরসিআর প্রকল্প।