1. admin@dailyuttarerchitro.com : admin :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মাঠে থাকবে এসআরবি-১৩ হরিপুরে পুকুরে ডুবে মামা-ভাগিনার মর্মান্তিক মৃত্যু এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হলেন বালিয়াডাঙ্গীর রবিউল ইসলাম ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ ঠাকুরগাঁওয়ে ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার ২ ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ট্যাপেন্টাডলসহ একজন গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে পিস্তল-গুলি উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার বালিয়াডাঙ্গীতে পুকুর থেকে অন্তঃসত্ত্বা নারীর মরদেহ, তদন্তে পুলিশ ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ২৯০ ট্যাপেন্টাডলসহ দুইজন আটক

পঞ্চগড়ে আপন বড় বোনকে ধর্ষণের অভিযোগে, সেই বোনের হাতেই ভাই খুন: দাবি ডিবির

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ২৩২ বার পঠিত

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড় সদর উপজেলার ঐতিহাসিক মহারাজার দিঘি থেকে উদ্ধার হওয়া মানিক হোসেন (১৯) হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের দাবি, আপন বড় বোনকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ, ধর্ষণের ভিডিও ধারণ এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে বড় বোনই সহযোগীর সহায়তায় মানিককে হত্যা করেন। এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন (২৪) ও তার সহযোগী শাহাবুদ্দিন (৪৯)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

জেলা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মানিক হোসেন দীর্ঘদিন ধরে তার আপন বড় বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে তা প্রকাশের ভয় দেখিয়ে নিয়মিত বোনকে ব্ল্যাকমেইল করতেন। ভাইয়ের এমন নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে বড় বোন তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন।

 

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মানিকের পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অচেতন করা হয়। পরে সহযোগী শাহাবুদ্দিনের সহায়তায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহ পঞ্চগড়ের ঐতিহাসিক মহারাজার দিঘিতে ফেলে দেওয়া হয়। তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এবং অন্যদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে বড় বোন নিজেই একটি চিরকুট লিখে তা মরদেহের কোমরে থাকা পলিথিনে গুঁজে দেন বলেও দাবি পুলিশের।

 

মরদেহ উদ্ধারের পর ডিবির তদন্ত দল নিহতের কক্ষ তল্লাশি করে একটি ডায়েরি ও একটি ক্যালেন্ডার উদ্ধার করে। তদন্তে ক্যালেন্ডারের হাতের লেখার সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া চিরকুটের লেখার মিল পাওয়া যায়। পরে বড় বোনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফরহাদ হোসেন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা পাওয়া গেছে, দীর্ঘদিনের নির্যাতন ও সামাজিক মর্যাদাহানির আশঙ্কা থেকেই ওই নারী এমন সিদ্ধান্ত নেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অধিকতর তদন্ত চলমান রয়েছে।

 

উল্লেখ্য, গত বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার মহারাজার দিঘি থেকে মানিক হোসেনের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের সঙ্গে একটি রহস্যময় চিরকুট পাওয়া গেলে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে ডিবির তদন্তে হত্যাকাণ্ডের এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

 

দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেইল ও হত্যাকাণ্ড-সংক্রান্ত তথ্য জেলা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তি, তদন্ত এবং আসামির কথিত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। মামলাটি বিচারাধীন এবং অভিযোগগুলোর বিচারিক নিষ্পত্তি এখনো হয়নি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক উত্তরের চিত্র
Theme Customized By Shakil IT Park