
ফজলুর রহমানঃ
নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার চাঞ্চল্যকর হামিদুল হত্যা মামলার পলাতক মোঃ আবুল হোসেন (৫৬) ঢাকা থেকে গ্রেফতার হয়েছেন। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব)-এর যৌথ অভিযানে তাকে রাজধানীর মিরপুর পল্লবী থানাধীন বাড়ী থেকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভিকটিম হামিদুল ইসলাম এবং গ্রেফতারকৃত আসামির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি-জমা এবং পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সকাল ১০টায় আসামিগণ ভিকটিমের সীমানার মধ্যে অবৈধভাবে একটি ঘর নির্মাণ শুরু করলে হামিদুল বাধা দিতে গেলে মোঃ আবুল হোসেন ও সহযোগীরা মিলে তাকে এলোপাথারী মারপিট করে গুরুতর জখম করেন। পরে আশপাশের লোকজন তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভর্তি করায়, কিন্তু ২০ ডিসেম্বর সকাল ৮.৩০ ঘটিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মৃত্যুর পর ভিকটিমের স্ত্রী নীলফামারী জেলার ডিমলা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৭, তারিখ ২৩/১২/২৫, ধারাসমূহ: ১৪৩/১৪৭/৪৪৭/৪৪৮/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৪২৭/৩০২/৫০৬/১১৪ পেনাল কোড। হত্যাকাণ্ডটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
র্যাব জানায়, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পলাতক আসামি গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা ও যৌথ অভিযান শুরু করা হয়। সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ রাত ৮.৫০ ঘটিকায় র্যাব-১৩ (সিপিসি-২, নীলফামারী) ও র্যাব-৪ (সিপিসি-১, পাইকপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা)-এর যৌথ দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোঃ আবুল হোসেনকে আটক করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’ নীতি মেনে তারা চাঞ্চল্যকর হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ ও অন্যান্য মারাত্মক সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এবং এ ধরনের ঘটনাকে প্রতিরোধে কাজ অব্যাহত থাকবে।