1. admin@dailyuttarerchitro.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. খলিলুর রহমান, সদস্যসচিব মো. বদিউজ্জামান বাঘু ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন ১১ দলের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করুন -মাও: আব্দুল হালিম হরিপুরে ‎অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে ২৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ রাণীশংকৈলে ডিবির অভিযানে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলেই নগদ টাকা, পরিবেশ রক্ষায় ইন্ডোফিলের অভিনব উদ্যোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ১০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার নাগরভিটা সীমান্তে ২৭১ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি আটক ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ফেন্সিডিল-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ১

তিন দিনের নিখোঁজ, শেষে মিলল শ্রমজীবীর মরদেহ

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৪৬ বার পঠিত

জুয়েল ইসলাম, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা এলাকায় নিখোঁজের তিন দিন পর এক ইলেকট্রিশিয়ানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি মনজুরুল ইসলাম (৪৮)। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রামপুরা পীরের মাজার সংলগ্ন একটি আলু ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রামপুরা এলাকার একটি আলু ক্ষেতে অস্বাভাবিকভাবে নরম মাটি দেখতে পান স্থানীয় কয়েকজন কৃষক। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তারা দ্রুত তারাগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলু ক্ষেতের ওই স্থান খনন করলে মাটিচাপা অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পায়। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

স্থানীয়রা জানান, এর আগের দিন বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) একই এলাকার আলু ক্ষেতের পাশের একটি তামাক ক্ষেতে রক্তের দাগ ও একটি স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্যান্ডেলটি শনাক্ত করেন এবং সেটি মনজুরুল ইসলামের বলে নিশ্চিত করেন। তবে সেদিন দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজি করেও মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে কুর্শা ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশ্যে বের হন মনজুরুল ইসলাম। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিহত মনজুরুল ইসলাম ওই গ্রামের ফরিজ উদ্দিনের ছেলে এবং পেশায় একজন ইলেকট্রিশিয়ান ছিলেন।

এদিকে মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলে স্থানীয়দের ভিড় জমে যায়। এলাকায় হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, “নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি মনজুরুল ইসলামের বলে শনাক্ত করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-এর বিভিন্ন এলাকায় নিখোঁজের পর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা বাড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারাগঞ্জের ঘটনাটিও নতুন করে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক উত্তরের চিত্র
Theme Customized By Shakil IT Park