1. admin@dailyuttarerchitro.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. খলিলুর রহমান, সদস্যসচিব মো. বদিউজ্জামান বাঘু ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন ১১ দলের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করুন -মাও: আব্দুল হালিম হরিপুরে ‎অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে ২৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ রাণীশংকৈলে ডিবির অভিযানে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলেই নগদ টাকা, পরিবেশ রক্ষায় ইন্ডোফিলের অভিনব উদ্যোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ১০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার নাগরভিটা সীমান্তে ২৭১ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি আটক ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ফেন্সিডিল-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ১

জবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ শিক্ষার্থীদের; প্রশাসনের কাজে আশাহত শিক্ষার্থীরা

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩৭ বার পঠিত

সীমান্ত , জবি প্রতিনিধি: উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম আন্দোলনের মাধ্যমে পাওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে একমাত্র শিক্ষক। অন্যান্য উপাচার্যের তুলনায় অনেক বেশি প্রত্যাশা নিয়ে নিজেদের মধ্য থেকে উপাচার্য নিয়োগের আন্দোলন করেছিল শিক্ষার্থীরা। কিন্তু প্রশাসনের কাজে হতাশা প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বলে, তিনি শুধু নিয়োগকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। শিক্ষার্থীদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল আবাসন ব্যবস্থা করা এবং যতদিন আবাসন ব্যবস্থা না হয়, ততদিন আবাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা। আবাসন বৃত্তি নিয়ে পুরো দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে ‘লং মার্চ টু যমুনা’ আন্দোলন। আন্দোলনের মুখে সরকার ইউজিসি (ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্ট কমিশন)-র মাধ্যমে বৃত্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু উপাচার্যের প্রশাসনিক অদক্ষতার কারণে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে আবাসন বৃত্তি। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন—তাহলে কি উপাচার্যের প্রধান লক্ষ্য ছিল ‘জকসু’ নির্বাচন আর নিজের লোকদের নিয়োগ দেওয়া?

 

দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের অগ্রগতি নিয়েও আছে চরম হতাশা। গত এক বছরে নতুন কোনো কাজ শুরু করতে পারেনি প্রশাসন। এমনকি গত প্রশাসনের শুরু করা কাজগুলোও শেষ করতে পারেনি তারা। দফায় দফায় সময় বাড়িয়েও অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বালি ভরাটসহ প্রথম পর্যায়ের অধিকাংশ কাজ। এগুলো উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিমের অদক্ষতার চাক্ষুষ প্রমাণ বলে অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।

এবিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম এর সাথে কথা বলার চেষ্টা করলেও তিনি ব্যস্ততার অজুহাত দিয়ে কথা বলতে অসম্মতি দেয়,তিনি বলেন, ” আমি লিখছি পরে কথা হবে “

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক উত্তরের চিত্র
Theme Customized By Shakil IT Park