
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে রাহেলের মা ক্যান্সারে মারা যান। এরপর থেকে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরে তার বাবা রফিকুল ইসলাম দ্বিতীয় বিয়ে করলে পারিবারিক পরিস্থিতি আরও পরিবর্তিত হয়।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে, রাহেল কিছুদিন আগে ঢাকায় কাজের উদ্দেশ্যে গেলেও পরে বাড়িতে ফিরে এসে ইন্দ্রল দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়। সম্প্রতি কিস্তিতে একটি মোবাইল ফোন কিনে আর্থিক সমস্যায় পড়ে এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় আরও হতাশ হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের দাবি, সে মোবাইল গেম ফ্রি ফায়ারে আসক্ত ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অস্থিরতায় ভুগছিল। পরে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
পীরগঞ্জ থানার ওসি ইকবাল হোসেন প্রামানিক জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।