
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সনগা চৌধুরী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত রাশেদুজ্জামান চৌধুরী রাশেদ ওই এলাকার বাসিন্দা ও রেজাউল চৌধুরীর ছেলে। তিনি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, রাজনৈতিক বিরোধ ও পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে রাশেদের সঙ্গে কয়েকজনের বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে মারধর করা হয়। এতে তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত ও রক্তাক্ত জখম হয়।
ভুক্তভোগী পক্ষের অভিযোগ, শফির নেতৃত্বে কয়েকজন এ হামলায় জড়িত ছিলেন। অভিযুক্তদের মধ্যে শফি (পিতা—আতিবর), আবদুল খালেক (পিতা—মৃত আইনিউদ্দীন) ও মোবারক (পিতা—আইনিউদ্দীন) রয়েছেন। ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বাড়ি সনগা চৌধুরী এলাকায়।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, শফি এলাকায় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ও প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত।
ঘটনার পর রাশেদকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার সময় তাঁর মা সালেহাকেও আঘাত করা হয়।
এ ঘটনায় বালিয়াডাঙ্গী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পক্ষ। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।